এক
লেখক তার ৩ বছরের ছোট বাচ্চাকে নিয়ে সকালে পার্কে ঘুরতে বের হলেন। বাচ্চা
একটু পর পর বাবার হাত ছেড়ে এই দিক ওই দিক দৌড়া দৌড়ী করে। হুট করে সে একটা
কাক দেখে তার বাবাকে জিজ্ঞেস করে।
ছেলেঃ Dad, what's that?
বাবাঃ It's a crow, son.
পার্কে তো আর কাকের অভাব নেই। বার বার সে কাক দেখে আর বাবাকে জিজ্ঞেস করে।
ছেলেঃ Dad, what's that?
বাবাঃ It's a crow, son.
বাবা বাসায় ফিরে রাতের বেলা তার লেখার খাতায় কয়েটি লাইন লিখে।
"It was an ordinary morning until my son started asking me about "crow"! Every time he watched and every time he asked the same question. I counted on him. He repeated the question 17 times. Trust me! His voice seemed sweeter than anything in the universe I ever heard. I wish he questioned me like this and I answered on the same way forever."
সময়ের হাত ধরে ছেলে এখন অনেক বড়। পড়ালেখা শেষ করে চাকুরী শুরু করেছে, নিজের সংসার হয়েছে, ছেলে হয়েছে। চাকুরীর জন্য সে এখন অন্য শহরে থাকে। বাবা-মায়ের থেকে অনেক দূরে। অন্য দিকে, মা মারা যাবার পর বাবা তার শহরে এখন একা। লেখালেখি ও তার জন্য দিনকে দিন কঠিন হয়ে উঠেছে। ডিমেনশিয়া। ছেলে তাকে দেখতে আসবে শুনে তার পুরানো লেখার খাতা বের করে। পার্কের ওই ঘটনা পড়ে নিজেই হাসিতে ভেঙ্গে পড়ে। ওই লেখার নিচে আর ও কয়েকটা লাইন যোগ করে আর ভাবে, ছেলে কাল আসলে এই লেখাটা দেখাবে। পরে যোগ করা লাইন গুলো ছিল এমন।
"Son, now you've own kid. Hope he also ask you silly questions repeatedly and you laugh like me on these days. This is our life and this is how life resonate from one generation to the next and so on."
পরের দিন ছেলে বাবাকে দেখতে আসলে বাবা ছেলেকে নিয়ে সেই পুরানো পার্কে ঘুরতে যায়। আর বাবার হাতে তার সেই পুরানো লেখার খাতা। ডিমেনশিয়ার কারণে দিন-তারিখ কিছুই তার মনে থাকে না। তাই সে ছেলেকে জিজ্ঞেস করল।
বাবাঃ What's the day, Son?
ছেলেঃ It's Monday, Dad.
বয়স আর ডিমেনশিয়ার কারণে ভুলে যায় বার বার। তাই কিছুক্ষণ পর সে ছেলেকে জিজ্ঞেস করল।
বাবাঃ What's the day, Son?
ছেলেঃ It's Monday, Dad (angrily)! How many times I told you it's "Monday"!
বাবা কিছুটা মানসিকভাবে কষ্ট পেলো। কিন্তু কোন কথাই বলল না। ছেলে চলে যাওয়ার সময় তাকে তার পুরানো লেখার খাতাটা হাতে দিয়ে বলল।
বাবাঃ It's a very old notebook of mine. I kept it for you as your tons of childhood events were written here.
ছেলে ফিরে যাওয়ার পথে ওই লেখার খাতাটা খুলে। প্রথম পাতায় ওই লেখা গুলো পড়ে। চোখে পানি আটকে রাখতে পারতেছিলো না। মনে হচ্ছিলো এখনই আবার ফিরে যাবে বাবার কাছে ক্ষমা চাইতে। বাসায় ফিরে অপর পাতায় এবার ছেলে লিখতে বসে।
"Dad, I can't express how much I'm feeling sorry and aching inside here. I grew and forgot all, every bit of it. Yes. Life separates us all, but someday death will bring us together. Don't know what and how I'll answer to you and God. Forgive me, because if you don't, then who else will do!"
ছেলেঃ Dad, what's that?
বাবাঃ It's a crow, son.
পার্কে তো আর কাকের অভাব নেই। বার বার সে কাক দেখে আর বাবাকে জিজ্ঞেস করে।
ছেলেঃ Dad, what's that?
বাবাঃ It's a crow, son.
বাবা বাসায় ফিরে রাতের বেলা তার লেখার খাতায় কয়েটি লাইন লিখে।
"It was an ordinary morning until my son started asking me about "crow"! Every time he watched and every time he asked the same question. I counted on him. He repeated the question 17 times. Trust me! His voice seemed sweeter than anything in the universe I ever heard. I wish he questioned me like this and I answered on the same way forever."
সময়ের হাত ধরে ছেলে এখন অনেক বড়। পড়ালেখা শেষ করে চাকুরী শুরু করেছে, নিজের সংসার হয়েছে, ছেলে হয়েছে। চাকুরীর জন্য সে এখন অন্য শহরে থাকে। বাবা-মায়ের থেকে অনেক দূরে। অন্য দিকে, মা মারা যাবার পর বাবা তার শহরে এখন একা। লেখালেখি ও তার জন্য দিনকে দিন কঠিন হয়ে উঠেছে। ডিমেনশিয়া। ছেলে তাকে দেখতে আসবে শুনে তার পুরানো লেখার খাতা বের করে। পার্কের ওই ঘটনা পড়ে নিজেই হাসিতে ভেঙ্গে পড়ে। ওই লেখার নিচে আর ও কয়েকটা লাইন যোগ করে আর ভাবে, ছেলে কাল আসলে এই লেখাটা দেখাবে। পরে যোগ করা লাইন গুলো ছিল এমন।
"Son, now you've own kid. Hope he also ask you silly questions repeatedly and you laugh like me on these days. This is our life and this is how life resonate from one generation to the next and so on."
পরের দিন ছেলে বাবাকে দেখতে আসলে বাবা ছেলেকে নিয়ে সেই পুরানো পার্কে ঘুরতে যায়। আর বাবার হাতে তার সেই পুরানো লেখার খাতা। ডিমেনশিয়ার কারণে দিন-তারিখ কিছুই তার মনে থাকে না। তাই সে ছেলেকে জিজ্ঞেস করল।
বাবাঃ What's the day, Son?
ছেলেঃ It's Monday, Dad.
বয়স আর ডিমেনশিয়ার কারণে ভুলে যায় বার বার। তাই কিছুক্ষণ পর সে ছেলেকে জিজ্ঞেস করল।
বাবাঃ What's the day, Son?
ছেলেঃ It's Monday, Dad (angrily)! How many times I told you it's "Monday"!
বাবা কিছুটা মানসিকভাবে কষ্ট পেলো। কিন্তু কোন কথাই বলল না। ছেলে চলে যাওয়ার সময় তাকে তার পুরানো লেখার খাতাটা হাতে দিয়ে বলল।
বাবাঃ It's a very old notebook of mine. I kept it for you as your tons of childhood events were written here.
ছেলে ফিরে যাওয়ার পথে ওই লেখার খাতাটা খুলে। প্রথম পাতায় ওই লেখা গুলো পড়ে। চোখে পানি আটকে রাখতে পারতেছিলো না। মনে হচ্ছিলো এখনই আবার ফিরে যাবে বাবার কাছে ক্ষমা চাইতে। বাসায় ফিরে অপর পাতায় এবার ছেলে লিখতে বসে।
"Dad, I can't express how much I'm feeling sorry and aching inside here. I grew and forgot all, every bit of it. Yes. Life separates us all, but someday death will bring us together. Don't know what and how I'll answer to you and God. Forgive me, because if you don't, then who else will do!"
No comments:
Post a Comment