বাসা থেকে ফিরার পথে বাসটা এমন একটা রাস্তার সামনে দাঁড়ায় ছিল, যা আমার এক পুরানো ছাত্রীর বাসার রাস্তা। অনেক দিন পরে আবার ওর কথা মাথায় চলে আসলো। রসায়ন পড়াতে যেতাম। ঐ মেয়ে অনেক কিছু করতে পারতো...রান্না,ছবি আঁকা,সেলাই,গান,নাচ...শুধু তার পড়তে ভালো লাগতো না। বাসায় গেলে একটার পর একটা খাবার নিয়ে আসতো। পড়ানোর চেয়ে খাওয়া আর গল্পই বেশি করতাম। পড়ানোর সময় দরজা সব সময় চাপানো থাকতো...মাঝে মাঝেই গান শুনাতো...দুই কি এক দিন নাচ দেখাইছিলো...এক দিন আমি জিজ্ঞেস করলাম...
আমিঃ তুমি যে এতো জোরে জোরে গান গাও, শুনে আণ্টি কিছু বলে না?
ঋতুঃ জিজ্ঞেস করলে বলি যে স্যার গান শুনতে চাইছিলো!
তাছাড়া প্রায়ই আমার ছবি আকতো। ছবি গুলো অনেক ভালো হতো। কিন্তু একটা সমস্যা ছিল...প্রতিটা ছবিই ছিল ইঙ্গিতপূর্ণ।
ক্ষেপ ছিল...তাই বেশি দিন পড়ানো হয়নি। ভাবছিলাম...ফলাফল দিলে আমাকে একবার হলেও ফোনে জানাবে। তিন দিন অপেক্ষা করার পর বুঝলাম...ভুইলা গেছে। অবশ্য আল্লাহ্ যা করেন তা ভালোর জন্যই করেন!
আমিঃ তুমি যে এতো জোরে জোরে গান গাও, শুনে আণ্টি কিছু বলে না?
ঋতুঃ জিজ্ঞেস করলে বলি যে স্যার গান শুনতে চাইছিলো!
তাছাড়া প্রায়ই আমার ছবি আকতো। ছবি গুলো অনেক ভালো হতো। কিন্তু একটা সমস্যা ছিল...প্রতিটা ছবিই ছিল ইঙ্গিতপূর্ণ।
ক্ষেপ ছিল...তাই বেশি দিন পড়ানো হয়নি। ভাবছিলাম...ফলাফল দিলে আমাকে একবার হলেও ফোনে জানাবে। তিন দিন অপেক্ষা করার পর বুঝলাম...ভুইলা গেছে। অবশ্য আল্লাহ্ যা করেন তা ভালোর জন্যই করেন!
No comments:
Post a Comment