ইউনিভার্সিটিতে থাকতে প্রতি ক্লাসের পর টয়লেট যাওয়া আর চিপায় গিয়ে চা
খাওয়া ছিল কমন। প্রতি ক্লাসের পর কেন টয়লেটে যেতাম তা নিজেও জানতাম না,
অন্যরা যাইত, তাই আমি ও দেখা দেখি যাইতাম। চা খেয়ে প্রায় ১০-১৫ মিনিট দেরি
করে ক্লাসে ঢুকতাম। আর স্যার নরম হইলে আর ও দেরি হত। তারপরে ৫০ মিনিটের
ক্লাসে ২০ মিনিট বাকি থাকতেই পিছন থেকে আমি শুরু করতামঃ
"স্যার, আজকে আর পারতেছি না। ছাইড়া দেন। মাথায় কিছু ঢুকতেছে না। সেই সকাল থেকে না খেয়ে ক্লাস করতেছি। আপনার দোহাই লাগে।"
দিনে আমরা এতো কাপ চা খাইতাম যে মোস্তফা ভাই হিসেব রাখতে পারতো না। আমাদের ও হিসেব থাকতো না। জিজ্ঞেস করতাম ভাই কত হইলো আমাদেরঃ
"আনুমানিক কিছু একটা দেন। আপনারা যেইটা দিবেন ঐ টাই দিনের লাভ। কত পোলাপাইন চা শেষে কাপ রাইখা আকাশের দিকে তাকাইয়া হাটা দেয়।"
আমাদের সময় ক্লাসে এসি ছিল না, ছিল না ওয়াই ফাই, ছিল না স্মার্ট ফোন। ক্লাসে বিনোদন ছিল বন্ধুদের পশ্চাৎ দেশে থাপড়ানো আর পেন ড্রাইভে উত্তেজনা ছড়ানো।
এখন ক্লাসে এসি আছে, আছে ওয়াই ফাই, সবার হাতেই স্মার্ট ফোন। সবাই ভার্চুয়ালি যোগাযোগ করে। কেউ ক্লাস ছেড়ে বের হয় না। এটাই স্বর্গ।
অনলাইনে মানুষের কাণ্ড কারখানা দেখে মনে হয়,
মগজ মাথা থেকে নামতে নামতে দুই রানের চিপায় চলে গেছে।
আনস্মার্ট এবং এসি, ওয়াইফাই থেকে বঞ্চিত থাকাটাই ছিল আমাদের জন্য আশীর্বাদ।
"স্যার, আজকে আর পারতেছি না। ছাইড়া দেন। মাথায় কিছু ঢুকতেছে না। সেই সকাল থেকে না খেয়ে ক্লাস করতেছি। আপনার দোহাই লাগে।"
দিনে আমরা এতো কাপ চা খাইতাম যে মোস্তফা ভাই হিসেব রাখতে পারতো না। আমাদের ও হিসেব থাকতো না। জিজ্ঞেস করতাম ভাই কত হইলো আমাদেরঃ
"আনুমানিক কিছু একটা দেন। আপনারা যেইটা দিবেন ঐ টাই দিনের লাভ। কত পোলাপাইন চা শেষে কাপ রাইখা আকাশের দিকে তাকাইয়া হাটা দেয়।"
আমাদের সময় ক্লাসে এসি ছিল না, ছিল না ওয়াই ফাই, ছিল না স্মার্ট ফোন। ক্লাসে বিনোদন ছিল বন্ধুদের পশ্চাৎ দেশে থাপড়ানো আর পেন ড্রাইভে উত্তেজনা ছড়ানো।
এখন ক্লাসে এসি আছে, আছে ওয়াই ফাই, সবার হাতেই স্মার্ট ফোন। সবাই ভার্চুয়ালি যোগাযোগ করে। কেউ ক্লাস ছেড়ে বের হয় না। এটাই স্বর্গ।
অনলাইনে মানুষের কাণ্ড কারখানা দেখে মনে হয়,
মগজ মাথা থেকে নামতে নামতে দুই রানের চিপায় চলে গেছে।
আনস্মার্ট এবং এসি, ওয়াইফাই থেকে বঞ্চিত থাকাটাই ছিল আমাদের জন্য আশীর্বাদ।
No comments:
Post a Comment