এই মুহূর্তে যেই বইটা পড়ার মাঝে আছি তাঃ E-squared. কোয়ান্টাম ফিজিক্সের জ্ঞানকে পুঁজি করে বাস্তব জীবনের পারিপার্শ্বিকতা তুলে ধরা হয়েছে। সব চেয়ে মজার জিনিস হল, বইতে অনেক গুলো এক্সপেরিমেন্ট সাজেস্ট করা হয়। এক্সপেরিমেন্ট করার জন্য সময় বেধে দেয়া হয় ৪৮ ঘণ্টা। কঠিন কোন এক্সপেরিমেন্ট না। যেমন, একটা জায়গায় বলা হয়, পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মাঝে প্রজাপতি দেখতে। রাইটার যাদের উপর এক্সস্পেরিমেন্ট করেছেন তাদের সবাই যখন থেকে ঠিক করেছে যে, তিনি পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মাঝে প্রজাপতি দেখতে চান, তিনি খুব একটা সময় ব্যয় না করেই প্রজাপতির সন্ধান পান। এদের মাঝে কেউ কেউ টার্গেট নিলো হলুদ প্রজাপতি দেখবে। সে হলুদ প্রজাপতির দেখা পেলো। এই প্রজাপতি দেখার জন্য কিন্তু তারা কেউ নিজের জায়গা ছেড়ে দূরে কোথাও যাননি, কিংবা অনেক লম্বা সময়ও ব্যয় করেন নাই। শুধু মাত্র টার্গেট ঠিক করা লেগেছে, আর একটা টাইম ফ্রেম ঠিক করা লেগেছে।
সকল জিনিস আমাদের আশেপাশেই আছে এই প্রজাপতির মত। হয়তো প্রজাপতি আমরা প্রতিদিনই দেখি, কিন্তু খেয়াল করি না বা নজর দেই না। ঠিক এই প্রজাপতির মত আমি যেই জিনিসটা চাচ্ছি, তা ও আমার আশেপাশেই আছে, হয়তো আমার চোখের সামনে দিয়েই যায়-আসে, কিন্তু, আমি টার্গেট হিসেবে না নেয়ার কারণে দেখা মিলে নাই। খুব একটা সময় ব্যয় না করেও শুধু মাত্র টার্গেট এবং টাইম ফিক্সড করে নিজের জায়গায় বসেই অসাধারণ জিনিস করা সম্ভব।
Based on the book “E-squared” by Pam Grout
No comments:
Post a Comment