Tuesday, August 12, 2014

কোটা প্প্রোফাইলিং

কোটা থাকলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় ১০ হাজারের পিছনের সিরিয়াল থেকে এসে উপরের দিকে সাবজেক্ট পাওয়া যায়, বিসিএস পরীক্ষায় অন্যদের চেয়ে অনেক কম উত্তর করেও উতরে যাওয়া যায়। আর এই কোটা ব্যাবস্থা ছেলে-মেয়েকে ছাড়িয়ে নাতি-নাতনির পর্যায়ে চলে আসছে। সামনের দিন গুলোতে পড়ালেখার চেয়ে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার বংশধর বলে প্রমাণ করাই হবে একমাত্র সাধনা। আর বংশগতির এই সিঁড়ি ধরে কোটা চলতে থাকলে এখনই মুক্তিযোদ্ধাদের DNA profiling করে রাখা উচিত। কারণ, পরবতীতে পরীক্ষার্থীদের DNA typing করে নিয়োগ দেয়া লাগবে। এখন যেমন ফরেনসিক ল্যাবে আসামী খোঁজা, বাবা-মা নির্ধারণ, লাশ সনাক্ত করার জন্য নমুনা আসে, তখন পরীক্ষার্থী আসলেই কোন মুক্তিযোদ্ধার বংশধর কিনা তা পরীক্ষার জন্য নমুনা আসবে। শরীফ স্যার আগে ভাগেই প্রস্তুত থাকা উচিত।

No comments:

Post a Comment